678d শুধু একটি বেটিং প্ল্যাটফর্ম নয় – এটি লক্ষ লক্ষ বাংলাদেশি ক্রিকেট ও ফুটবলপ্রেমীর জন্য তৈরি একটি বিশ্বস্ত ডিজিটাল গন্তব্য। আমরা বিশ্বাস করি, প্রতিটি ম্যাচের উত্তেজনা আরও বাড়ানো যায় – সঠিক প্ল্যাটফর্মে, সঠিক অডসে।
২০১৮ সালে একদল প্রযুক্তিপ্রেমী ও ক্রিকেটপ্রেমী মিলে 678d-এর যাত্রা শুরু করেন। তখন বাংলাদেশে অনলাইন বেটিংয়ের কথা বললে মানুষ মুখ সরিয়ে নিত – কারণ বিশ্বাসযোগ্য কোনো প্ল্যাটফর্ম ছিল না। পেমেন্ট আটকে যাওয়া, অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যাওয়া, কাস্টমার সাপোর্টের কোনো জবাব না পাওয়া – এসব ছিল সাধারণ অভিযোগ।
678d তৈরির পেছনে মূল উদ্দেশ্য ছিল একটাই – বাংলাদেশের মানুষের জন্য এমন একটি প্ল্যাটফর্ম বানানো যেটা সত্যিকারের বিশ্বস্ত। যেখানে জিতলে টাকা পাওয়া যাবে, প্রশ্ন করলে উত্তর মিলবে, আর প্রতিটি বেটের অভিজ্ঞতা হবে সহজ ও স্বচ্ছ।
শুরুতে শুধু ক্রিকেট বেটিং দিয়ে চালু হলেও আজ 678d-তে ৩০টির বেশি স্পোর্টস ক্যাটাগরি, লাইভ ক্যাসিনো, লটারি ও কার্ড গেম পাওয়া যায়। তবে ক্রিকেট এখনো 678d-র হৃদয়ে – কারণ এটাই বাংলাদেশের মানুষের সবচেয়ে কাছের খেলা।
678d বিশ্বাস করে যে বেটিং একটি বিনোদনের মাধ্যম – এবং সেটা উপভোগ্য হওয়া উচিত, ভয়ের নয়। তাই আমরা স্বচ্ছতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিই। অডস কীভাবে নির্ধারিত হয়, জেতার টাকা কীভাবে হিসাব করা হয় – সব কিছু ব্যবহারকারীর কাছে পরিষ্কার রাখা হয়।
দায়িত্বশীল গেমিং 678d-র একটি মূল নীতি। আমরা চাই না কেউ সীমার বাইরে গিয়ে বেট করুক। তাই ডিপোজিট লিমিট, সেলফ-এক্সক্লুশন সহ বিভিন্ন টুল আমরা প্রদান করি। বেটিং আনন্দের জন্য – সমস্যা তৈরির জন্য নয়।
678d-র পুরো ইন্টারফেস বাংলায় তৈরি। পেমেন্ট সিস্টেম বিকাশ, নগদ ও রকেটের সাথে সম্পূর্ণ সংযুক্ত। কাস্টমার সাপোর্ট বাংলায় কথা বলে। ক্রিকেটের ঘটনাপ্রবাহ বাংলাদেশের সময়ে আপডেট হয়। এখানে কোনো ভাষার বাধা নেই, কোনো প্রযুক্তিগত জটিলতা নেই।
678d আজ বাংলাদেশের লক ্ষাধিক মানুষের বিশ্বাস অর্জন করেছে। এই বিশ্বাসটা আমাদের কাছে সবচেয়ে বড় পুরস্কার – কোনো ট্রফি বা পুরস্কারের চেয়েও বেশি মূল্যবান।
678d শুধু একটি ব্যবসা নয়, এটি একটি দায়িত্বশীল উদ্যোগ যা বাংলাদেশের ডিজিটাল বিনোদন খাতকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করতে চায়।
বাংলাদেশের প্রতিটি কোণের মানুষের কাছে নিরাপদ, স্বচ্ছ ও আনন্দদায়ক অনলাইন বেটিং অভিজ্ঞতা পৌঁছে দেওয়া। প্রযুক্তি ও মানবিক স্পর্শের সমন্বয়ে এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি রাখা যেটা সত্যিকারের বিশ্বাসযোগ্য।
দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে পছন্দের বাংলাভাষী বেটিং প্ল্যাটফর্ম হওয়া। এমন একটি ডিজিটাল পরিবেশ তৈরি করা যেখানে বিনোদন, নিরাপত্তা ও দায়িত্বশীলতা একসাথে চলে।
স্বচ্ছতা, সততা ও ব্যবহারকারীর স্বার্থকে সবার উপরে রাখা। প্রতিটি সিদ্ধান্তে আমরা জিজ্ঞাসা করি – এটা কি আমাদের ব্যবহারকারীর জন্য ভালো? উত্তর হ্যাঁ হলেই সেটা করি।
প্রতিটি ফিচার তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে – তাই 678d সত্যিকার অর্থেই আলাদা।
SSL এনক্রিপশন ও উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থার মাধ্যমে আপনার প্রতিটি লেনদেন ও ব্যক্তিগত তথ্য সম্পূর্ণ সুরক্ষিত রাখা হয়। 678d-তে আপনার ডেটা কখনো তৃতীয় পক্ষের কাছে যায় না।
678d-তে জিতলে টাকা আটকে থাকে না। বিকাশ বা নগদে মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যে উইথড্রয়াল প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। দ্রুত পেআউটের জন্য 678d বাংলাদেশে পরিচিত।
প্ল্যাটফর্ম থেকে কাস্টমার সাপোর্ট পর্যন্ত সব কিছু বাংলায়। ইংরেজি না জানলেও 678d ব্যবহার করতে কোনো সমস্যা হবে না। আমাদের সাপোর্ট টিম ২৪/৭ বাংলায় কথা বলে।
678d তৈরিই হয়েছে মোবাইল ব্যবহারকারীদের কথা ভেবে। স্মার্টফোনে সম্পূর্ণ অভিজ্ঞতা নেওয়া যায় – লাইভ বেটিং, পেমেন্ট, উইথড্রয়াল সব কিছু মোবাইলে সহজে করা যায়।
678d-র অডস বাজারের সেরাগুলোর মধ্যে একটি। ক্রিকেট থেকে ফুটবল, সব স্পোর্টসে আমরা প্রতিযোগিতামূলক অডস বজায় রাখি যাতে বেটাররা সর্বোচ্চ পুরস্কার পেতে পারেন।
678d বিশ্বাস করে বিনোদন কখনো বোঝা হওয়া উচিত নয়। তাই ডিপোজিট লিমিট, সময়সীমা নির্ধারণ ও সেলফ-এক্সক্লুশনের মতো টুলস আমাদের প্ল্যাটফর্মে সবসময় পাওয়া যায়।
ছোট একটি দল থেকে শুরু করে আজ 678d বাংলাদেশের সবচেয়ে বিশ্বস্ত অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্মগুলোর মধ্যে একটি। প্রতিটি পদক্ষেপে আমরা ব্যবহারকারীদের কথা শুনেছি, তাদের সমস্যা সমাধান করেছি।
২০১৮ সাল থেকে ২০২৬ পর্যন্ত 678d ক্রমাগত বড় হয়েছে – কিন্তু মূল প্রতিশ্রুতি একটুও পরিবর্তন হয়নি। বাংলাদেশের মানুষের জন্য সেরা অভিজ্ঞতা দেওয়া।
আমাদের প্রতিটি সিদ্ধান্ত এই মূলনীতিগুলোর ভিত্তিতে নেওয়া হয়। এগুলো শুধু কথা নয়, আমাদের প্রতিদিনের কাজে প্রতিফলিত হয়।
প্রতিটি নিয়ম, প্রতিটি শর্ত স্পষ্টভাবে জানানো হয়। কোনো লুকানো চার্জ বা অস্পষ্ট নিয়ম নেই।
জেতার টাকা সময়মতো পাওয়া যাবে – এই প্রতিশ্রুতি 678d কখনো ভাঙেনি এবং ভাঙবে না।
বেটিং যেন কারো জীবনে সমস্যা না হয়, সেটা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব।
প্রযুক্তি ও ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা ক্রমাগত উন্নত করে যাওয়া আমাদের অঙ্গীকার।
একটি ছোট কিন্তু নিবেদিত দল প্রতিদিন কাজ করে যাচ্ছে যাতে 678d-র অভিজ্ঞতা আরও ভালো হয়।
১২ বছরের ফিনটেক অভিজ্ঞতা। বাংলাদেশের ডিজিটাল পেমেন্ট ইকোসিস্টেমের গভীর জ্ঞান নিয়ে 678d পরিচালনা করছেন।
সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ১০ বছরের অভিজ্ঞতা। 678d-র নিরাপদ ও দ্রুত প্ল্যাটফর্মের মূল কারিগর।
বাংলাদেশের বাস্তব ব্যবহারকারীদের সাথে মিলে 678d-র ইন্টারফেস ডিজাইন করেছেন। সরলতাই তাঁর মূলনীতি।
678d-র ২৪/৭ সাপোর্ট টিমের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। প্রতিটি অভিযোগকে তিনি উন্নতির সুযোগ হিসেবে দেখেন।
৫০ লক্ষেরও বেশি মানুষ ইতিমধ্যে 678d-কে তাদের বিশ্বস্ত বেটিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বেছে নিয়েছেন। আপনিও এই পরিবারের অংশ হতে পারেন।
১৮+ বছরের কম বয়সীদের জন্য নয় · দায়িত্বশীলভাবে বেট করুন